হিজাব বা পর্দার কথা আসলে আমরা সাধারণত মহিলাদের কথাই ভাবি। কিন্তু মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে প্রথমে পুরুষের জন্য এবং তারপর মহিলাদের জন্য হিজাবের কথা বলেছেন -
সুরা নূর এর আয়াত ৩০ এ আল্লাহ বলেন -
“Say to the believing men that they should lower their gaze and guard their modesty: that will make for greater purity for them: and Allah is well acquainted with all that they do.” –[Al-Quran, 24:30]
অতএব ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মেয়ে বা মহিলার দিকে তাকানো মোটেই ঠিক নয়। সকল মুসলমান ভাইদের অবশ্য কর্তব্য মহান আল্লাহর এ আদেশ মেনে চলা।
পরবর্তী আয়াত এ আল্লাহ বলেন
“And say to the believing women that they should lower their gaze and guard their modesty; that they should not display their beauty and ornaments except what (must ordinarily) appear thereof; that they should draw veils over their bosoms and not display their beauty except to their husbands, their fathers, their husbands’ fathers, their sons…” –[Al-Quran, 24:31]
অতএব মহিলাদেরও উচিত মহান আল্লাহর এ আদেশ যথাযথভাবে মেনে চলা।
কুরান ও সুন্নাহ অনুসারে হিজাবের ৬ টি দিক রয়েছে
১. পুরুষের জন্য (কমপক্ষে) নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত এবং মহিলাদের জন্য সমস্ত শরীর (মুখমণ্ডল ও হাতের কবজি ব্যাতীত) ঢেকে রাখা
বাকি ৫ টি দিক পুরুষ ও নারীর জন্য একই
২. ঢিলাঢালা পোষাক পরা
৩. স্বচ্ছ পোষাক না পরা
৪. এমন পোষাক না পরা যা অন্যকে আকৃষ্ট করে
৫. পুরুষের জন্য মহিলাদের পোষাক এবং মহিলাদের জন্য পুরুষের পোষাক পরা নিষেধ
৬. অন্য ধর্মাবলম্বীদের পরিচয় বহনকারী কোন কিছু না পরা
তবে শুধু পোষাকেই নয়, আমাদের আচার-ব্যবহার, চাল-চলন সর্বক্ষেত্রেই হিজাব অপরিহার্য।
–