the MessageS

জুন 4, 2008

কুরআন ও বিজ্ঞান – পৃথিবীর আকৃতি সম্পর্কে কুরআনের বর্ণনা

যার অধীনে আছে: Astronomy, Quran and Modern Science — rashed016 @ 6:41 am
Tags: , , , , , ,

আগে মনে করা হত যে পৃথিবী সমতল। স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক ১৫৯৭ সালে প্রথম প্রমাণ করেন যে পৃথিবী গোলকাকৃতি।
আসুন দেখি কুরআন কী বলে। নিম্নোক্ত আয়াতটি লক্ষ্য করুনঃ

Seest thou not that Allah merges Night into Day and He merges Day into Night?”
[Al-Qur’an 31:29]

এখানে লক্ষ্য করতে বলা হয়েছে যে, দিনের শেষে ধীরে ধীরে রাত নেমে আসে আর রাতের শেষে ধীরে ধীরে দিন শুরু হয়। পৃথিবী গোলকাকৃতি না হলে এটা সম্ভব হত না। পৃথিবী সমতল হলে দিন ও রাতের পরিবর্তন হঠাৎ করে হত।

এরকম আর একটি আয়াত হলঃ

“He created the heavens and the earth in true (proportions): He makes the Night
overlap the Day, and the Day overlap the Night.” [Al-Qur’an 39:5]

এখানে ‘overlap’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যা পৃথিবী গোলকাকৃতি না হলে সম্ভব নয়।

আমরা জানি পৃথিবী সম্পূর্ণ গোলকাকৃতি নয়; উত্তর ও দক্ষিণে কিছুটা চাপা। এ সম্পর্কে নিম্নোক্ত আয়াতটি লক্ষ্য করুনঃ

And the earth, moreover, hath He made egg shaped.” [Al-Qur’an 79:30]

এখানে আরবি ‘dahaahaa’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ উট পাখির ডিম যার আকৃতি চমৎকারভাবে পৃথিবীর আকৃতির সাথে মিলে যায়।

কুরআন চমৎকারভাবে পৃথিবীর আকৃতি বর্ণনা করেছে ১৪০০ বছর আগে। বিষয়গুলো আমাদের ভেবে দেখা দরকার।

কুরআন ও বিজ্ঞান – গ্যালাক্সী তৈরী হবার পূর্বেকার অবস্থার বর্ণনা

যার অধীনে আছে: Astronomy, Quran and Modern Science — rashed016 @ 6:35 am
Tags: , , ,

গ্যালাক্সী তৈরী হবার পূর্বেকার গ্যাসীয় পদার্থ

বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে একমত যে গ্যালাক্সী তৈরী হবার পূর্বে মহাজাগতিক পদার্থ গ্যাসীয় অবস্থায় ছিল। অর্থাৎ সেগুলোকে বিপুল পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থের মেঘ হিসেবে ভাবা যেতে পারে যা ধোঁয়ার মত ছিল। কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতটি বিশ্বজগৎ সৃষ্টির এই অবস্থাকে ‘দুখান’ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যার অর্থ ‘ধোঁয়া’:

“Moreover, He Comprehended in His design the sky, and it had been (as) smoke:
He said to it and to the earth: ‘Come ye together, willingly or unwillingly.’
They said: ‘We do come (together), in willing obedience.’ ” [Al-Qur’an 41:11]

গ্যালাক্সী তৈরী হবার পূর্বেকার এই অবস্থা কুরআন নাযিল হবার সময় বা এর পূর্বে জানা ছিল না। এই জ্ঞানের উৎস কী?
এরকম আরো অনেক বিষয় কুরআন এ বর্ণিত আছে যা আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার।

নিঃসন্দেহে মহান সৃষ্টিকর্তাই কুরআন নাযিল করেছেন। কাজেই আমাদের সকলের উচিৎ এর অনুসরণ করা, কেননা সৃষ্টিকর্তাই জানেন তার সৃষ্টির জন্য কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ।

মে 17, 2008

Big-Bang theory 1400 years ago…

যার অধীনে আছে: Astronomy, Quran and Modern Science — rashed016 @ 9:26 am
Tags: , ,

Consider the following verse from the Glorious Quran…

“Do not the Unbelievers see that the heavens and the earth were joined together (as one unit of Creation), before We clove( split or divide) them asunder?”

– Surah Al-Anbiyaa, Verse No:30

Doesn’t this verse refer to the Big-Bang theory in a nutshell?

Who could have said this 1400 years ago?

Surely it is from the Creator. So read the Quran and follow it properly.

Blog at WordPress.com.